Ticker

6/recent/ticker-posts

ব্যষ্টিক অর্থনীতি (১ম বর্ষ ) ২য় অধ্যায়ঃ চাহিদা ও যোগান (Demand and supply)


অর্থনীতিতে চাহিদা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ কোন নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট দামে একজন ক্রেতা কোন পণ্যের যে পরিমাণ ক্রয় করতে ইচ্ছা পোষণ করে তাকে চাহিদা বলে।
চাহিদার সাথে দামের সম্পর্ক কিরুপ?
উত্তরঃ বিপরীত।
চাহিদা বিধি কি?
উত্তরঃ কোন দ্রব্যের দাম বাড়লে চাহিদা কমে এবং দাম কমলে চাহিদা বাড়ে। দাম ও চাহিদার এ সম্পর্ক যে বিধির মাধ্যমে প্রকাশ করে, তাকে চাহিদা বিধি বলে।
চাহিদা বিধির মূল বক্তব্য কি?
উত্তরঃ অন্যান্য সকল অবস্থা অপরিবর্তিত থেকে কোন দ্রব্যের দাম বাড়লে তার চাহিদা কমে এবং দাম কমলে তার চাহিদা বাড়ে।
চাহিদা সূচি কি? 
উত্তরঃ একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন দামে ক্রেতা যে পরিমাণ দ্রব্য ক্র করতে ইচ্ছুক থাকে, তার তালিকাকে চাহিদা সূচি বলে।
চাহিদা রেখা কি? 
উত্তরঃ চাহিদা সূচির জ্যামিতিক প্রকাশকে চাহিদা রেখা বলে।
চাহিদা হ্রাস পেলে চাহিদা রেখা কোনদিকে স্থানান্তরিত হয়? 
উত্তরঃ বাম দিকে।
ভর্তুকি প্রদান করা হলে চাহিদা ও দামের কি পরিবর্তন ঘটবে? 
উত্তরঃ চাহিদা বৃদ্ধি পাবে ও দাম কমবে।
যোগান কি? 
উত্তরঃ কোন নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট দামে একজন বিক্রেতা কোন পণ্যের যে পরিমান বিক্রয় করতে ইচ্ছুক থাকে তাকে যোগান বলে।
মজুদ কি? 
উত্তরঃ বিক্রয়যোগ্য দ্রব্যের মোট পরিমাণকে মজুদ বলে।
যোগান সূচি কি? 
উত্তরঃ একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিক্রেতা একটি দ্রব্যকে বিভিন্ন মুল্যে যে পরিমাণ বিক্রি করে তার তালিকাকে যোগানসূচি বলে।
ভারসাম্য কিভাবে নির্ধারিত হয়? 
উত্তরঃ চাহিদা ও যোগানের সমতার ভিত্তিতে।
সাধারনত কোন পণ্যের দাম বাড়লে চাহিদার কি পরিবর্তন ঘটে? 
উত্তরঃ চাহিদা কমে।
মাছের দাম বৃদ্ধি পেলে মাংসের চাহিদার কিরুপ পরিবর্তন হবে? 
উত্তরঃ মাংসের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।
মোটা কাপড়, মোটা চাল, ডাল, আলু ইত্যাদি কি ধরনের দ্রব্য? 
উত্তরঃ গিফেন দ্রব্য।
চাহিদা সূচি কত প্রকার ও কি কি? 
উত্তরঃ চাহিদা সূচি দুই প্রকার। যথা- ক) ব্যক্তিগত চাহিদা সূচি এবং খ) বাজার চাহিদা সূচি।
ব্যক্তিগত চাহিদা সূচি কি? 
উত্তরঃ একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন দামে একজন ক্রেতা কোন দ্রব্যের যে বিভিন্ন পরিমান ক্রয় করতে ইচ্ছুক থাকে তার তালিকাকে ব্যক্তিগত চাহিদা সূচি বলে।
বাজার চাহিদা কি? 
উত্তরঃ বাজারে সকল ভোক্তার ব্যক্তিগত চাহিদার সমষ্টিকে বাজার চাহিদা বলে। অর্থ্যাৎ বিভিন্ন দামে বিভিন্ন ভোক্তার যে চাহিদা তার সমষ্টিই হলো বাজার চাহিদা ।
বাজার চাহিদা সূচি কি? 
উত্তরঃ বিভিন্ন দামে বাজারের সব ক্রেতা একত্রে একটি দ্রব্য যে পরিমাণ ক্রয় করতে ইচ্ছুক তার তালিকাকে বাজার চাহিদা সূচি বলে।
চা ও কফি কি ধরনের দ্রব্য? 
উত্তরঃ পরিবর্তক দ্রব্য।
চা ও চিনি পরস্পর কি ধরনের দ্রব্য?
উত্তরঃ পরিপূরক দ্রব্য।
কালি ও কলম কি ধরনের দ্রব্য? 
উত্তরঃ পরিপূরক দ্রব্য।
দ্রব্যের দাম বাড়লে যোগান কি হয়? 
উত্তরঃ বাড়ে।
চাহিদার সাধারণ অপেক্ষকটি লিখ? 
উত্তরঃ Qd = 10 - 2p এখানে Qd = চাহিদার পরিমাণ, p = দাম।
বাজার ভারসাম্যের উপর কর আরোপের প্রভাব কি হবে? 
উত্তরঃ দাম বৃদ্ধি পায় এবং চাহিদা হ্রাস পায়।
স্বাভাবিক পণ্যের দাম স্থির অবস্থায় আয় বাড়লে চাহিদার ওপর কি প্রভাব পড়বে? 
উত্তরঃ চাহিদা রেখা ডানদিকে স্থান্তরিত হয় এবং একই দামে চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
চাহিদা রেখা ডানদিকে নিম্নগামি হয় কেন? 
উত্তরঃ দামের সাথে চাহিদার বিপরীতমুখী সর্ম্পকের কারণে।
কোন দ্রব্যের পরিপূরক দ্রব্যের দাম বাড়লে আলোচ্য দ্রব্যের চাহিদা- 
উত্তরঃ কমে।
চাহিদা রেখা বামদিকে স্থান পরিবর্তনের অর্থ কি? 
উত্তরঃ কোন দ্রব্যের দাম স্থির থেকে অন্যান্য যে নির্ধারকগুলো আছে যেমন- ভোক্তার আয়, সম্পর্কিত দ্রব্যের দাম ইত্যাদি কোন একটির কারণে চাহিদা হ্রাস পেলে একই দামে চাহিদা রেখা বামদিকে স্থান পরিবর্তন করে। 
সমাপরাবৃত্তকার চাহিদা রেখার ক্রেতার ব্যয়ের পরিমাণ কেমন হয়? 
উত্তরঃ সমান।
নিকৃষ্ট দ্রব্য/পণ্য কী? 
উত্তরঃ ভোক্তার আয় বাড়লে যে দ্রব্যের চাহিদার পরিমাণ পূর্বের চেয়ে কমে যায় সেই দ্রব্যকে নিকৃষ্ট দ্রব্য/পণ্য বলে।
দাম ভোগ রেখা কি নির্দেশ করে? 
উত্তরঃ দামের পরিবর্তনে চাহিদার উপর কি প্রভাব পড়েবে।
গিফেন দ্রব্যের চাহিদা রেখা কেমন হয়? 
উত্তরঃ বামদিক থেকে ডানদিকে উর্ধ্বগামী।
দাম ও যোগানের মধ্যে সম্পর্ক  কি রকম? 
উত্তরঃ প্রত্যক্ষ ও সমমুখী।
যে বিধির মাধ্যমে দ্রব্যের দামের সাথে তার যোগানের সম্পর্ক নির্দেশ করে তাকে কোন বিধি বলে? 
উত্তরঃ যোগান বিধি।
যোগান রেখা সাধারনত কিরূপ হয়? 
উত্তরঃ বাম থেকে ডান দিকে উর্ধ্বগামী।
যোগান রেখা কি? 
উত্তরঃ যে রেখা দ্বারা বিভিন্ন মূল্যে একটি দ্রব্যের যোগানের পরিমাণ নির্দেশ করা হয় তাকে যোগান রেখা বলে।
যোগান বিধি কি? 
উত্তরঃ সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ে অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত অবস্থায় দ্রব্যের দাম কমলে যোগান কমে এবং দাম বাড়লে যোগান বাড়ে। দাম ও যোগানের এ সম্পর্ককে যোগান বিধি বলে।
যোগান সূচি কয় প্রকার? 
উত্তরঃ দুই প্রকার। যথা- ক) ব্যক্তিগত যোগান সূচি, খ) বাজার যোগান সূচি।
ব্যক্তিগত যোগন সূচি কি? 
উত্তরঃ একটি নির্দিষ্ট সময়ে একজন বিক্রেতা বিভিন্ন দামে একটি দ্রব্যের যে বিভিন্ন পরিমাণ যোগান দেয়, তার তালিকাকে ব্যক্তিগত যোগান সূচি বলে।
বাজার যোগান সূচি কি? 
উত্তরঃ কোন নির্দিষ্ট সময়ে একটি দ্রব্যের বিভিন্ন দামে বাজারের সকল বিক্রেতা যে বিভিন্ন পরিমাণ যোগান দেয় তা যে সূচিতে দেখানো হয় তাকে বাজার যোগান সূচি বলে।
চাহিদা কত প্রকার ও কি কি? 
উত্তরঃ তিন প্রকার। যথা- ১) দাম চাহিদা ২) আয় চাহিদা ৩) আড়াআড়ি চাহিদা।
আয় চাহিদা কি? 
উত্তরঃ দ্রব্যের দাম স্থির থেকে ভোক্তার আয় পরিবর্তনের দরুণ চাহিদার যে পরিবর্তন হয় তাকে বল হয় আয় চাহিদা।
আড়াআড়ি চাহিদা কি?
উত্তরঃ কোন দ্রব্যের পরিপূরক বা পরিবর্তক দ্রব্যের দামের উপর যে চাহিদা নির্ভর করে তাকে বল হয় আড়াআড়ি চাহিদা।
চাহিদা অপেক্ষক D = 20 - 2p অনুসারে 10 টাকা দামে চাহিদার পরিমান কত? 
উত্তরঃ শূণ্য একক।
চাহিদা সমীকরণ Qd = a - bp তে a ও b বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ এক্ষেত্রে a হলো চাহিদা রেখার ছেদক এবং b এই রেখার ঢাল।
একাধিক চলক বিশিষ্ট একটি চাহিদা অপেক্ষক লিখ? 
উত্তরঃ একাধিক চলক বিশিষ্ট একটি চাহিদা অপেক্ষক হল- Qd = ძ ( P,  P1, P2.......Pn, Y, T)
Qd = চাহিদার পরিমাণ।
P =  ঐ নির্দিষ্ট পণ্যের  দাম।
P1, P2.....Pn = অন্যান্য সম্পর্কিত দ্রব্যের দাম।
Y = ভোক্তার আয়।
T = রুচি।
ভোক্তার উদ্বৃত্ত কি?
উত্তরঃ কোন ব্যক্তি কোনো দ্রব্যের জন্য বেশি দাম দিতে ইচ্ছুক থাকা সত্ত্বেও যদি ঐ ব্যক্তি দ্রব্যটি অপেক্ষাকৃত কম দামে ক্রয় করতে পারে তখন সে যে সুবিধা ভোগ করে তাকে ভোক্তার  উদ্বৃত্ত বলে।।
ভোক্তার উদ্বৃত্ত তত্ত্বের মূল প্রবক্তা কে? 
উত্তরঃ অধ্যাপক মার্শাল।
উৎপাদন উপকরনের দাম বাড়লে উৎপাদন খরচ কেমন হয়? 
উত্তরঃ বাড়ে।
বাজার ভারসাম্যের শর্ত কি? 
উত্তরঃ বাজার ভারসাম্যের শর্ত হচ্ছে, ভারসাম্য অবস্থায় চাহিদা (Qd) = যোগান (Qs) অর্থ্যাৎ- চাহিদা = যোগান।
দামের সাথে চাহিদার কি ধরনের সম্পর্ক? 
উত্তরঃ ধনাত্মক সম্পর্ক।
ভেবলেন দ্র্রব্য কি? 
উত্তরঃ যে সকল দ্রব্যের দাম বাড়লে চাহিদা বাড়ে এবং দাম কমলে চাহিদা কমে সে সকল দ্রব্যকে ভেবলেন দ্রব্য বলে।
বাজার ভরসাম্যের উপর ভর্তুকীর কি প্রভাব পড়ে?
উত্তরঃ দাম কমে এবং পরিমাণ বাড়ে।
Price ceiling (সর্বোচ্চ মূল্য) কী?
উত্তরঃ বাজার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত ভারসাম্য দাম যদি বেশির ভাগ জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তাহলে সরকার জনগণের কথা চিন্তা করে ভারসাম্য দামের চেয়ে কম দাম নির্ধারন করে দেয়। সরকার কর্তৃক এরূপ দাম বেধেঁ দেওয়াকে Price ceiling (সর্বোচ্চ মূল্য) বলা হয়।


বিঃদ্রঃ অর্থনীতি সর্ম্পকে জানতে ভিজিট করুন  https://www.economicsbd.com/ এই ওয়েব সাইটে।
কোথাও কোন ভুল হয়ে থাকলে বা যুক্ত করার প্রয়োজন মনে করলে কমেন্ট করার অনুরোধ  রইলো।
 
ব্যষ্টিক অর্থনীতি (১ম বর্ষ ) ২য় অধ্যায়ঃ চাহিদা ও যোগান (Demand and supply)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ